যুক্তরাষ্ট্রে ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়া ডোনাল্ড ট্রাম্পের সামনে কিছু বাধা কমেছে, এবং তার শাসনকালে সরকার গঠন নিয়ে কিছু ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। যদিও তিনি নির্বাচনে জিতেছেন, তবে তার প্রথম মেয়াদে নানা বিতর্ক এবং আইনি চ্যালেঞ্জের পর এখন ট্রাম্প সরকারের নতুন দিকে এগিয়ে চলেছে।
এখন পর্যন্ত ট্রাম্পের সরকার গঠন সংক্রান্ত যেসব তথ্য উঠে এসেছে, তা অনুযায়ী তিনি তার রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক দলের পুরনো সদস্যদের সঙ্গেই নতুন সরকারের কাঠামো তৈরি করার পরিকল্পনা করছেন। তার নতুন সরকারে হয়তো নতুন কিছু মুখ যুক্ত হবে, তবে প্রথম মেয়াদে কাজ করা অনেক পুরোনো সহযোগীই এবার তার পাশে থাকতে পারেন।
এছাড়া, ট্রাম্পের বিরুদ্ধে যে একাধিক আইনি মামলা চলছিল, সেগুলোর কিছু কিছু হয়তো সমাধান হতে পারে, যার ফলে তার ওপর চাপ কিছুটা কমবে এবং দ্বিতীয় মেয়াদে কার্যকরীভাবে কাজ করার সুযোগ বৃদ্ধি পাবে।
তবে এখনও কিছু অনিশ্চয়তা রয়েছে, বিশেষত তার রাজনৈতিক দলের অভ্যন্তরীণ প্রতিদ্বন্দ্বিতা এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জের কারণে।
ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর নতুন সরকার গঠনের তোড়জোড় শুরু করেছেন এবং তার প্রশাসনে গুরুত্বপূর্ণ পদগুলো নিয়ে হিসাব-নিকাশ চলছে। তিনি তাঁর নির্বাচনী যাত্রায় যারা তাঁর পাশে ছিলেন, তাদের পুরস্কৃত করার জন্য প্রথমত তাদেরকে সরকারে যুক্ত করবেন বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন।
ট্রাম্পের প্রচারশিবির থেকে জানা গেছে, নতুন প্রশাসনে বিশেষজ্ঞদের অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করা হবে এবং ইতিমধ্যে কিছু সম্ভাব্য নামও সামনে এসেছে। এর মধ্যে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য সুসি উইলিস, যিনি ট্রাম্পের নির্বাচনী যাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন এবং হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ হতে পারেন। এছাড়া, ট্রাম্পের সাবেক অভ্যন্তরীণ নীতিবিষয়ক উপদেষ্টা ব্রুক রলিনসকেও বিবেচনা করা হচ্ছে।
এছাড়া, ট্রাম্প ক্ষমতায় এলে তার দল রিপাবলিকান পার্টি কংগ্রেসে সংখ্যাগরিষ্ঠতা ফিরে পেয়েছে, যা তার নীতি বাস্তবায়নকে সহায়ক হবে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। তিনি সরকারের ব্যয় কমানোর জন্য ইলন মাস্কের সহায়তা নিতে চেয়েছেন এবং ইলন মাস্কের নামও সামনে এসেছে সরকারের সম্ভাব্য সদস্য হিসেবে।
এবারের নির্বাচনে রিপাবলিকানরা সিনেটের আধিপত্য পুনরুদ্ধার করেছে এবং প্রতিনিধি পরিষদেও সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পথে রয়েছে। এটি ট্রাম্পের জন্য নীতিনির্ধারণ, আইন পাস এবং বিচারপতি নিয়োগের কাজ সহজ করে দেবে।

0 Comments